• চুনারুঘাট-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কে তেলিয়াপাড়ার কাছে ক্যাপ্টেন মতিনের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা পাকবাহিনীর সৈন্যদের এ্যামবুশ করে। এই এ্যামবুশে পাকবাহিনীর একটি গাড়ি ধ্বংস হয় এবং অনেক পাকসেনা হতাহত হয়।
  • মুক্তিবাহিনীর যুব শিবির কর্মসূচির সূত্রপাত হয়। এর আগে যোদ্ধা নিয়োগ সম্পর্কিত কোনো নীতিমালা ছিলনা। মুক্তিযোদ্ধা নিজেরাই প্রশিক্ষণ শিবির সংগঠিত করে।
  • রাজশাহীতে মুক্তিবাহিনীর কমান্ডোরা পাকবাহিনীর ওপর আকস্মিক আক্রমণ চালায়। এ সংঘর্ষে পাকবাহিনীর ২৫জন সামরিক শিক্ষার্থী নিহত হয়।
  • চট্টগ্রাম মুসলিম হলে সিরাত সম্মেলনের শেষ দিনে সিরাত সম্মেলনের অজুহাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের স্বাধীনতা-বিরোধী ভূমিকা পালনে উদ্বুদ্ধ করা হয়। সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল চৌধুরী রহমত এলাহী বলেন, পাকিস্তানের অস্তিত্ব বিপন্নকারীদের নির্মূল না করা পর্যন্ত মুসলমান ভাইয়েরা ঘরে ফিরবে না। এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিটি কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউল করিম চৌধুরী।
  • পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী নারায়ণগঞ্জ ঘাঁটি পরিদর্শন করেন। তিনি দুষ্কৃতকারীদের (মুক্তিযোদ্ধা) কঠোর হস্তে দমনের জন্য সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দেন। পরে নিয়াজী ঢাকার কয়েকটি অঞ্চলও পরিদর্শন করেন।