• ২নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনী পাকসেনাদের শালদানদী মূল ঘাঁটির চারটি অবস্থানের ওপর তিন দিক থেকে অতর্কিত আক্রমণ চালায়। মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র আক্রমণে পাকসেনারা তাদের দু‘টি অবস্থান ত্যাগ করে অবশিষ্ট ঘাঁটি দু'টিতে আশ্রয় নেয়। সুবেদার বেলায়েত অতি দ্রুত তাঁর বাহিনী নিয়ে শালদানদী অতিক্রম করে পাকসেনাদের পরিত্যক্ত বাঙ্কারগুলোতে অবস্থান নেন। এতে পাকসৈন্যরা বাজার এলাকা থেকে শালদানদী রেলওয়ে স্টেশনের অবস্থানের সঙ্গে সংযোগ হারিয়ে ফেলে। এই যুদ্ধে শালদানদী রেলওয়ে স্টেশন হানাদার মুক্ত হয়।                                                                                                                                                                                     
  • লন্ডনে বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ প্রতিনিধি বিচারপতি আবু সাইদ চৌধুরী বাংলাদেশের পক্ষে জনমত সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এক সমাবেশে বক্তৃতাকালে এক দল উর্দুভাষী তাঁর ওপর চড়াও হয় এবং সভা পন্ড করার চেষ্টা করে। এতে তিনি সামান্য আহত হন।                    
  • গোপালপুর থানা শত্রুমুক্ত করার জন্য মুক্তিবাহিনী দিনভর ৩" মর্টারের গোলা নিক্ষেপ করেও থানার পতন ঘটাতে না পারলে মেজর হাকিম পুরো থানা রেকি করেন। হানাদারদের অবস্থান রেকি করে ফেরার সময় মেজর হাকিমের কোম্পানীর ১২/১৩ বছরের এক ক্ষুদে মুক্তিযোদ্ধা ভুলু ছদ্মবেশে হানাদারদের ঘাঁটিতে প্রবেশ করে গ্রেনেড আক্রমণ চালায়। এতে ৮ জন হানাদার সৈন্য নিহত হয়।
  • রাজশাহীর উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত গ্রাম চাউকায় মুক্তিবাহিনী পাকহানাদারদের ওপর আক্রমণ চালায়। এতে পাকবাহিনীর ৫ জন সৈন্য নিহত হয়।

  • ৮নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনী মথুরানগরে অবস্থানরত পাকবাহিনীর দুই প্লাটুন সৈন্যকে আক্রমণ করে। পাকসেনারা পাল্টা আক্রমণ চালালে উভয়পক্ষের মধ্যে চার ঘন্টা গুলিবিনিময় হয়। এই সংঘর্ষে পাকবাহিনীর ১৫ জন সৈন্য নিহত ও ৪ জন আহত হয়। অপরদিকে ৩ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা আহত হন।

  • ৮নং সেক্টরের বেতাই সাব-সেক্টরে মুক্তিবাহিনী কামদেবপুরে অবস্থানরত পাকসেনাদের ওপর তীব্র আক্রমণ চালায়। এই আক্রমণে ৩০ জন পাকসৈন্য ও রাজাকার নিহত হয়।

  • পূর্ব পাকিস্তানে ব্যবহারের জন্য ৫ কোটি টাকা দেয়ার একটি চুক্তিপত্র পাকিস্তান সরকার এবং মার্কিন সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।

  • শিক্ষা মন্ত্রী আব্বাস আলী খান বগুড়ার আলতাফুন্নেসা ময়দানে দালালদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশে উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হওয়া সত্ত্বেও ভারত উদ্বাস্তুদের ফিরতে দিচ্ছে না। তিনি দ্বি-জাতিতত্ত্বের আদর্শে বিশ্বাসী করে তোলার জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাবার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

  • নূরুল আমিন পিপিআই প্রতিনিধিকে জানান, তিনি জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগদানকারী সদস্য মাহমুদ আলীকে ডেকে পাঠিয়েছেন। কারণ আসন্ন নির্বাচনে দলের কর্মসূচী নির্ধারণের জন্যে তার উপস্থিতি দরকার।