অক্টোবর ৪, ১৯৭১
Posted by সময়ের প্রয়োজনে ... on Sunday, October 3, 2010
- গোপালগঞ্জ মহকুমার কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়ায় পাকিস্তানি সৈন্যদের অবস্থানের ওপর মুক্তিবাহিনী ত্রিমুখী আক্রমণ চালায়। এতে পাকবাহিনীর ৩০ জন সৈন্য ও ২০ জন রাজাকার নিহত হয়। এ পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তানীরা হেলিকপ্টারের সাহায্যে মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর পুনরায় আক্রমণ চালায়। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে তারা ফিরে যেতে বাধ্য হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও
প্রধান সেনাপতি কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী মুক্তিবাহিনীর বিভিন্ন ক্যাম্প
পরিদর্শন করেন। তাঁরা পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক বেশ কিছু সফল
অভিযানের জন্য মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের অভিনন্দন জানান।
-
৮নং সেক্টরের হাকিমপুর সাব-সেক্টরে মুক্তিবাহিনী এক
প্লাটুন পাকসেনার একটি দলকে কাকডাঙ্গার কাছে এ্যামবুশ করে। উভয়পক্ষের
মধ্যে প্রচন্ড গোলাবিনিময়ে ৬ জন পাকসেনা নিহত ও ৫ জন আহত হয়।
মুক্তিযোদ্ধারা অক্ষত অবস্থায় নিরাপদে নিজেদের ঘাঁটিতে ফিরে আসে।
-
৮নং সেক্টরের হাকিমপুর সাব-সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর একটি
এ্যামবুশ দল পাকসেনাদের একটি দলকে সোনাবড়িয়া-মান্দরা এলাকায় এ্যামবুশ
করে। এই এ্যামবুশে ৭জন পাকসেনা নিহত হয়।
-
কুমিল্লা জেলার কসবার কাছে মুক্তিবাহিনীর গেরিলা দল
তৃতীয় পাঞ্জাব রেজিমেন্টের একটি লঞ্চের ওপর আক্রমণ চালায়। এই সংঘর্ষে
পাকসেনাদের লঞ্চটি পানিতে ডুবে যায় এবং অনেক পাকসৈন্য নিহত হয়।
-
ঢাকায় বনানীস্থ নৌ-বাহিনীর সদর দপ্তরের কাছে গলফ্
স্কোয়ারে মুক্তিবাহিনীর গেরিলাযোদ্ধারা পাকবাহিনীর সহযোগী রাজাকারদের একটি
দলকে অতর্কিতে আক্রমণ করে। এই আক্রমণে ৪ জন রাজাকার নিহত হয়।
-
যশোরের বেনাপোলে পাকবাহিনীর সহযোগী ২জন রাজাকার মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
-
গভর্নর ডাঃ এ.এম. মালিকের সভাপতিত্বে তথাকথিত পুনর্বাসন
বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন
এবং অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের জন্যে একটি বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
-
পিডিপি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আগামী উপ-নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র আহবান করে।